ই-পাসপোর্ট: আবেদন প্রক্রিয়া, সুবিধা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য

ই-পাসপোর্ট হল আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি একটি ডিজিটাল পাসপোর্ট যা আপনার ভ্রমণ নিরাপদ, দ্রুত এবং সহজ করে তোলে। এটি সাধারণ পাসপোর্টের মতোই একটি ভ্রমণ ডকুমেন্ট, তবে এতে একটি চিপ থাকে যা যাত্রীর তথ্য সুরক্ষিত রাখে এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর সময় দ্রুত পাসপোর্ট যাচাইয়ের সুবিধা প্রদান করে। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন, ফি পরিশোধ এবং পাসপোর্ট ট্র্যাকিং সম্ভব হয়, যা পূর্বের পদ্ধতির তুলনায় অনেক সহজ এবং কার্যকর।

ই-পাসপোর্টের আবেদন প্রক্রিয়া

আবেদন করার স্থান

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্টের জন্য আপনি অনলাইনে আবেদন করতে পারেন। জাতীয় পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও, আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে সরাসরি আবেদনও করতে পারবেন।

ই-পাসপোর্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার জন্য আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রস্তুত রাখতে হবে:

পাসপোর্টের আবেদন জমা নেওয়ার ক্ষেত্রে চেকলিস্ট

  1. আবেদনকারী কর্তৃক অনলাইনে আবেদনকৃত (পিডিএফ) ফরমের প্রিন্টেড কপি।
  2. পাসপোর্টের ফি জমা প্রদানের চালান রশিদ (অফলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে)।
  3. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ (ইংরেজী ভার্সন) মূলকপি এবং ফটোকপি।
  4. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল এবং ফটোকপি (২০ বছরের উর্ধ্বের নাগরিকদের জন্য)।
  5. বর্তমান ঠিকানা প্রমাণের জন্য Job ID/Student ID/গ্যাস বিল/বিদ্যুৎ বিল/টেলিফোন বিল/পানির বিলের মূলকপি (যেটি প্রযোজ্য)।
  6. পেশা প্রামানের জন্য চাকুরীর প্রত্যায়ন পত্র/ খতিয়ান (কৃষি)/ Student ID কার্ড ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রত্যায়ন ( সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি চাইতে পারে। )।
  7. দত্তক/অভিভাবকত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে সুরক্ষা সেবা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হতে জারীকৃত আদেশের কপি।
  8. টেকনিক্যাল পেশার প্রমাণস্বরূপ (যেমন: ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার) টেকনিক্যাল সনদের কপি।
  9. রি-ইস্যু আবেদনের ক্ষেত্রে মূল পাসপোর্ট (Original Passport) এবং পাসপোর্টের ফটোকপি।
  10. ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডের 3R সাইজের ফটো (শুধুমাত্র ০৬ বছরের নিচে শিশুদের জন্য)।
  11. অপ্রাপ্ত বয়স্ক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে পিতা/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি।
  12. মেডিকেল সনদ (চোখের আইরিশ বা ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিসিং হলে)।
  13. সরকারী আদেশ (GO)/অনাপত্তি সনদ (NOC)/প্রত্যয়নপত্রের কপি, যা ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ওয়েবসাইটে আপলোড থাকতে হবে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  14. PRL এর আদেশ বা পেনশন বই এর কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  15. বিবাহ সনদ বা কাবিন নামার কপি (বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন হলে)।
  16. বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের সনদ বা তালাক নামার কপি।
  17. হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে সাধারণ ডায়েরী (GD) এর মূল কপি।
  18. পূর্বের পাসপোর্ট এবং NID/BRC-তে তথ্য গড়মিল থাকলে নির্ধারিত ফরম্যাটে পূরণকৃত অঙ্গীকারনামা।
  19. Multiple Active পাসপোর্টের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরম্যাটে পূরণকৃত অঙ্গীকারনামা।
  20. তথ্য সংশোধনের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত সনদ (যেমন: JSC/SSC/HSC/সমমান)।
  21. সরকারি চাকরিজীবীদের তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে NID, শিক্ষাগত সনদ, অফিসের প্রত্যয়নপত্র, এবং সার্ভিস রেকর্ডের ফটোকপি।
  22. দ্বৈত নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডুয়াল সিটিজেনশিপ সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
  23. অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার অনুমতিপত্র এবং পিতা-মাতার উভয় বা যেকোন একজনের উপস্থিতি।

বিঃদ্রঃ বায়ো-এনরোলমেন্টের সময় ছবি তোলার জন্য সাদা পোশাকের পরিবর্তে রঙিন পোশাক পরিধান করতে হবে।

 

আবেদন করার ধাপ:

  1. নিবন্ধন ও ফর্ম পূরণ: ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইন আবেদন করতে হবে। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট ফর্ম পূরণ করুন এবং আপনার প্রাথমিক তথ্য জমা দিন।
  2. ডকুমেন্ট আপলোড: ফর্ম পূরণের পর, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস (যেমন ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র) আপলোড করুন।
  3. ফি পরিশোধ: নির্ধারিত ফি পরিশোধ করুন, যা সাধারণত ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে করা যায়।
  4. সাক্ষাৎকার: আবেদন জমা দেওয়ার পর, কিছু ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকারের প্রয়োজন হতে পারে।
  5. পাসপোর্ট সংগ্রহ: পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে, আপনি ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

ই-পাসপোর্টের সুবিধা

ই-পাসপোর্টের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে যা এটি সাধারণ পাসপোর্টের তুলনায় আরও সুবিধাজনক করে তোলে:

  • নিরাপত্তা: ই-পাসপোর্টে চিপ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় যা যাত্রীর তথ্য সুরক্ষিত রাখে এবং অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে।
  • দ্রুত প্রবাহিত ভ্রমণ: আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে ই-পাসপোর্ট স্ক্যানার ব্যবহার করে পাসপোর্ট যাচাই করা হয়, যা ভ্রমণের সময় স্বাচ্ছন্দ্য এবং দ্রুততা বাড়ায়।
  • আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ই-পাসপোর্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বীকৃত, যা আন্তর্জাতিক ভ্রমণে বিশেষ সুবিধা প্রদান করে।
  • চুরি বা হারানোর ক্ষেত্রে সুরক্ষা: ই-পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হলে, আপনার তথ্য সরকারী ডাটাবেজে সুরক্ষিত থাকে এবং আপনি সহজেই পুনরুদ্ধার করতে পারেন।

ই-পাসপোর্টের ফি কাঠামো

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত ই পাসপোর্ট ফি ও ব্যাংক গুলোর তালিকা দেওয়া হয়েছে । আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে এই লিখা আপনার জন্য । আপনি যদি বিদেশে ভ্রমন করতে চান তাহলে আপনার প্রথম যা করতে হবে সেটা হলো পাসপোর্ট । বাংলাদেশে প্রথমে ছিল হাতে লিখা পাসপোর্ট তারপর চালু হয় মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট যাকে সংক্ষেপে বলা হয়  এম আর পি  । বাংলাদেশে সরকার ২০২০ সালে চালু করে ই পাসপোর্ট ।

যেহেতু ই পাসপোর্ট চালু করা খুব বেশিদিন হয়নি ।সেক্ষেত্রে অনেকেই জানেন না এই পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ? তাই আপনাদের সুবিধার জন্য নিচে  ৪৮ ও ৬৪ পাতার পাসপোর্ট ৫ (পাঁচ) বছর ও ১০ (দশ) বছরের জন্য কেমন খরচ পড়বে তা দেওয়া হলো । তবে বলে রাখা ভালো পাসপোর্ট ডেলিভারির ক্ষেত্রে ৩ (তিন) ধরনের ব্যবস্থা আছে।

ডেলিভারির ধরনঃ

  1. নিয়মিত
  2. জরুরী
  3. অতীব জরুরী

ডেলিভারির উপর ভিত্তি করে ফি কম বেশি হয় ।

ই-পাসপোর্ট ফি:

নিম্নোক্ত হারে পাসপোর্ট ফি প্রযোজ্য হবে ( ১৫% ভ্যাট সহ ) :

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্টঃ

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৪,০২৫ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৫,৭৫০ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে  জরুরী বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ৫ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৬,৩২৫ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ৮,৬২৫ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১২,০৭৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠা এবং ১০ বছর মেয়াদ সহ পাসপোর্ট

  • ১৫ কর্মদিবস /২১ দিনের মধ্যে নিয়মিত বিতরণ: ৮,০৫০ টাকা
  • ৭ কর্মদিবস / ১০ দিনের মধ্যে জরুরী বিতরণ: ১০,৩৫০ টাকা
  • ২ কর্মদিবসের মধ্যে অতীব জরুরী বিতরণ: ১৩,৮০০ টাকা

পাসপোর্ট অফিস সমূহ

অনলাইনে আবেদন করার পর আপনার বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনার ফাইল জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার পর বায়োমেট্রিক কাজ সম্পাদন করবেন।

বর্তমানে নিম্নলিখিত পাসপোর্ট অফিসগুলিতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু আছে।

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসমূহ

বিভাগ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসমূহ (বিভাগ অনুযায়ী)
ঢাকা উত্তরা (ঢাকা)কেরাণীগঞ্জ(ঢাকা)ঢাকা সেনানিবাস (ঢাকা)বাংলাদেশ সচিবালয়(ঢাকা)নরসিংদীগাজীপুরশরীয়তপুরনারায়ণগঞ্জটাঙ্গাইলকিশোরগঞ্জমানিকগঞ্জ,  মুন্সিগঞ্জরাজবাড়ীমাদারীপুরগোপালগঞ্জফরিদপুর
সিলেট মৌলভীবাজারহবিগঞ্জসুনামগঞ্জ
চট্টগ্রাম চাঁদগাঁও (চট্টগ্রাম)কুমিল্লাফেনীব্রাহ্মণবাড়িয়ারাঙ্গামাটিনোয়াখালীচাঁদপুরলক্ষ্মীপুরকক্সবাজারখাগড়াছড়িবান্দরবান
রাজশাহী সিরাজগঞ্জপাবনাবগুড়ানাটোরজয়পুরহাটচাঁপাইনবাবগঞ্জনওগাঁ
খুলনা যশোরসাতক্ষীরামেহেরপুরনড়াইলচুয়াডাঙ্গাকুষ্টিয়ামাগুরাবাগেরহাটঝিনাইদহ
বরিশাল ঝালকাঠিপটুয়াখালীপিরোজপুরভোলাবরগুনা
রংপুর পঞ্চগড়দিনাজপুরলালমনিরহাটনীলফামারীগাইবান্ধাঠাকুরগাঁও,  কুড়িগ্রাম
ময়মনসিংহ শেরপুরময়মনসিংহজামালপুরনেত্রকোণা

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও অধিক্ষেত্র

অফিস অধিক্ষেত্র (থানা)
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, কেরাণীগঞ্জ(ঢাকা) শ্যামপুর, কদমতলী, কোতোয়ালী, গেন্ডারিয়া, সূত্রাপুর, দোহার, নবাবগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ মডেল, কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ , লালবাগ, চকবাজার, কামরাঙ্গীরচর , বংশাল, ওয়ারী, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী 
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ,উত্তরা (ঢাকা) উত্তরা পূর্ব, উত্তরা পশ্চিম, দক্ষিণখান, উত্তরখান, তুরাগ, বিমানবন্দর, আশুলিয়া, খিলখেত, পল্লবী, ভাসানটেক, ভাটারা
পাসপোর্ট অফিস, সেনানিবাস ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
পাসপোর্ট অফিস, ঢাকা পূর্ব (আফতাবনগর)  মুগদা, সবুজবাগ, শাহজাহানপুর, খিলগাঁও, রামপুরা, মতিঝিল, পল্টন, বাড্ডা, হাতিরঝিল
পাসপোর্ট অফিস, ঢাকা পশ্চিম(মোহাম্মদপুর)  সাভার, ধামরাই, মোহাম্মদপুর, আদাবর, দারুস-সালাম, শাহ আলী, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট
পাসপোর্ট অফিস,সচিবালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় 
আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, চাঁদগাঁও (চট্টগ্রাম) বাঁশখালী, লোহাগড়া, সাতকানিয়া, চান্দনাইশ, কর্ণফুলী, বাকুলিয়া, কোতোয়ালী, চাঁদগাঁও, আনোয়ারা, বোয়ালখালী, পটিয়া, পাঁচলাইশ, চকবাজার 
অন্যান্য আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সংশ্লিষ্ট জেলা

 

ই-পাসপোর্টের ট্র্যাকিং

ই-পাসপোর্টের আবেদন করার পর, আপনি অনলাইনে আবেদন ট্র্যাক করতে পারেন। বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট ট্র্যাকিং পদ্ধতিতে আপনাকে আবেদন নম্বর বা পাসপোর্ট নম্বর ব্যবহার করে আপনার পাসপোর্টের স্ট্যাটাস চেক করতে হবে। এটি আপনাকে জানাবে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা এবং আপনার পাসপোর্ট কখন প্রস্তুত হবে।

 

ই-পাসপোর্ট রিনিউ প্রক্রিয়া

ই-পাসপোর্ট রিনিউ করতে, আপনাকে আবেদন করার সময় কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হবে:

  • পুরনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
  • নতুন ফি পরিশোধ করতে হবে।
  • নতুন ছবি ও অন্যান্য ডকুমেন্টস আপলোড করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনলাইনে বা পাসপোর্ট অফিসে সম্পন্ন করা যাবে।

ই-পাসপোর্ট নিয়ে ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি

ই-পাসপোর্ট নিয়ে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে, যেমন:

  • ই-পাসপোর্ট শুধুমাত্র উন্নত দেশের জন্যই প্রযোজ্য।
  • ই-পাসপোর্ট খুবই জটিল এবং সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। এইসব ধারণা ভুল। বাস্তবে, ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ এবং সুবিধাজনক।

ইতি কথাঃ

ই-পাসপোর্ট আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভ্রমণকে আরও নিরাপদ, দ্রুত এবং সহজ করেছে। এর আবেদন প্রক্রিয়া, সুবিধা এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা সবার জন্য উপকারি। ই-পাসপোর্টের মাধ্যমে আপনি আন্তর্জাতিক ভ্রমণ আরও সুরক্ষিত এবং সময়সাশ্রয়ী করতে পারেন। আগামী দিনে এই প্রযুক্তি আরও উন্নত হয়ে, আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে।

 

Similar Posts

  • বাংলাদেশের পাসপোর্ট নিয়ে ৪২ দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমন

    বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিয়ে কোনও ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন যে দেশগুলিতে (NO VISA REQUIRED or NVR Countries with Bangladeshi Passport)ভিসা ছাড়াও যে বিশ্বের অনেকগুলো দেশে যাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেই জানেন। তবে বাংলাদেশী পাসপোর্ট থাকলেই আপনি কোনো ধরনের ভিসার ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাবেন ২০টি চমৎকার দেশে আর এটি অবশ্যই যেকোনো ট্রাভেলারের জন্য দারুণ সুখবর। তবে ভিসা…

  • | |

    ভারতের হলুদ ট্যাক্সি ক্যাবের অভিজ্ঞতা

    ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিঃ সকালে আমি দেশে ফিরবো বলে বাহির হলাম। সব রেডি করেছি সকালে বাড়ির মালিক রহমান ভাইয়ের সাথে কথা বলে ঘর বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি। এখানে আমি খুব ভালভাবেই দিন কাটিয়েছি। যদিও দিনের বেশির সময় বাহিরে ছিলাম তারপরও রাত গুলো অনেক ভালভাবেই কেটেছে। আমি মূলত ফ্রেশ হয়ে বাহির হলাম । সালাম দিলাম কিন্তু মুসাফা…

  • আল-আমান বাহেলা খাতুন মসজিদ

     আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ (Al-Aman Bahela Khatun Jame Mosque) সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার ০৮ নং ওয়ার্ডের মুকন্দগাঁতি মহল্লায় সিরাজগঞ্জ-এনায়েতপুর সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত । ইতিহাসঃ মসজিদটি বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ও বৃহৎ মসজিদ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে মুকুন্দগাতী গ্রামের মোহাম্মদ আলী সরকার তার ছেলে আল-আমান ও মা বহেলা খাতুনের নামে বেলকুচির আল-আমান…

  • আমনুরা জংশন

    পঞ্চাশের দশকে ঐতিহাসিক আমনুরা জংশন।.১৯০৯ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে গোদাগাড়ী ঘাট – আমনুরা – রহনপুর – সিঙ্গাবাদ – মালদা মিটার গেজ সেকশন চালু করে কাটিহার ব্রাঞ্চ রেলওয়ে আন্ডারে । শিয়ালদা থেকে পদ্মার দক্ষিণ পাড়ের লালগোলা ঘাট ব্রডগেজ ট্রেনে এসে রেল ফেরি কর ঘাট পার হয়ে, পদ্মার উত্তর পাড়ে গোদাগাড়ী ঘাটে অপেক্ষমাণ মিটার গেজ ট্রেনে চড়ে…

  • ১৯২৭ সালের রেলস্টেশন আহ্সানগঞ্জ

    স্টেশন পরিচিতিঃ আহসানগঞ্জ, নওগাঁ। ১৯২৭ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত আহ্সানগঞ্জ রেলস্টেশন। ব্রিটিশ শাসনকালে এই স্টেশনটি ‘আত্রাই ঘাট’ নামে নামকরণ করা হয়েছিল। পরে তা পরিবর্তন করে স্টেশন প্রতিষ্ঠাতা জমিদার মুন্সী আহ্সান উল্লাহ্ মোল্লার নামে রেখে আহ্সানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন নামকরণ করা হয়। পরে মুন্সী আহসানউল্লাহ মোল্লার পুত্র মোল্লা আবুল কালাম আজাদ এমপি স্টেশনটিকে পুনঃর্নির্মাণ করেন। লাইনঃ চিলাহাটি-পার্বতীপুর-সান্তাহার-দর্শনা…

  • বগুড়ার ভ্রমন একটা অসমাপ্তির ভ্রমন কথা

    বগুড়ার ভ্রমণের গল্পটা শুরু হয়েছিল সাব্বির, রুমন আর দেলোয়ারের সঙ্গে মাঠে বসে কথাবার্তার সময়। মূল উদ্দেশ্য ছিল মহাস্থানগড় দেখা, সঙ্গে আরও দুই-একটা জায়গা ঘুরে দেখা। ওরা সবাই তাদের পরিবার নিয়ে যাবে—আমাকেও বলল, আমিও রাজি হয়ে গেলাম। রুমন মাইক্রো ভাড়া করেছে, সব প্রস্তুত। ২৫ তারিখ সকালে মোহনপুর থেকে রওনা হওয়ার কথা। তাই আগের রাতেই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে…