| |

ভারতের হলুদ ট্যাক্সি ক্যাবের অভিজ্ঞতা

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রিঃ সকালে আমি দেশে ফিরবো বলে বাহির হলাম। সব রেডি করেছি সকালে বাড়ির মালিক রহমান ভাইয়ের সাথে কথা বলে ঘর বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি। এখানে আমি খুব ভালভাবেই দিন কাটিয়েছি। যদিও দিনের বেশির সময় বাহিরে ছিলাম তারপরও রাত গুলো অনেক ভালভাবেই কেটেছে। আমি মূলত ফ্রেশ হয়ে বাহির হলাম । সালাম দিলাম কিন্তু মুসাফা হাতে হাত মিলানো হয়নি। যদিও বিষয়টি রাস্তায় বাহির হয়ে এসে মনে হলো। তবে আগামীবার যখন কলকাতায় ঘুরতে যাব তখন আমি মুসাফা করতে ভুলবো না ।

আমি গাড়ির জন্য OLA ও UBER এর বাইক খুজতেছিলাম। কিন্তু কেউ যেতে চাচ্ছিলনা । আমিও একজনকে ক্যান্সেল করে দিয়েছি। তবে ক্যান্সেল করার মূল কারন হলো সকালে দেখলাম হলুদ ট্যাক্সি । ট্যাক্সি ওয়ালা কাকার সাথে চোখে চোখ পড়ে গেলো। আমি ইশারা করলাম । কাকা থেমে গেলো । দামাদামি করলাম কত নিবেন জিজ্ঞাসা করলাম উনি বললেন ৪০০ টাকা( রুপি)। আমি ৩৫০ টাকার(রুপি) কথা বললাম।  দামাদামি করে খুব বেশি লাভ করতে পারি নাই । শেষমেষ ৩৮০ টাক(রুপি)তে শিয়ালদহ স্টেশন পর্যন্ত ভাড়া নিয়েছিল। বেহালা ওয়েস্ট বকুলতলা থেকে ক্যাবে আসার সময় কাকা অনেক কিছু বলে দিলেন । ইডেন গার্ডেন , রেস কোর্স, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও অনেক কিছু বলছিলেন। আমি ক্যাবে জানালা দিয়ে এদিক ওদিকে দেখছিলাম। হলুদ ট্যাক্সির লোভ সামলাতে পারিনি। তাই টাকা বেশি খরচ করে হলুদ ট্যাক্সিতে স্টেশন পর্যন্ত যায়।

 আমাকে যেতে হবে বনগাঁ স্টেশনে। যাত্রার সময় প্রায় ২ ঘন্টার মত। দুরত্ব প্রায় ৭৭ কিলোমিটার রেলে। বাসে কত সেটা বলতে পারবো না । ভাড়া মাত্র ২০ রুপি ।  ট্রেনে এত ভীড় তবুও প্রায় সবাই টিকিট কেটেই যায়। ভারতীয়দের মধ্যে দেশ ভক্তি অনেক । যা আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে নেই।

সকালে দেখলাম শিয়ালদহ স্টেশনের সামনে ফলের বাজার বসেছে। শিয়ালদহ স্টেশন অনেক বড় । সেখানে বিভিন্ন স্থানের রেল গাড়ি পাওয়া যাবে। আপনি খুব কম খরচে ট্রেন ভ্রমন করতে পারবেন।  স্টেশনে গিয়ে আমি কিছু বিস্কুট, কয়েকটা চকলেট ও আপেল কিনেছিলাম।

আপেল যখন কিনছিলাম তখন আপেল বিক্রেতার সাথে বিভিন্ন কথা হয়।আমাদের দেশের আপেলের দাম জিজ্ঞাসা করে আরো অনেক কিছু। আমি যেখানে গিয়েছি চেষ্টা করছি স্বাভাবিক ভাবে কথা বলার।  

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *